ডিজিটাল ঘড়ির জগতে এমন কিছু মডেল রয়েছে, যেগুলি সময়ের সঙ্গে পুরনো হয় না। জাপানি সংস্থা Casio-র তৈরি F-91W সেই তালিকার অন্যতম পরিচিত নাম। ১৯৮৯ সালে বাজারে আসার পর থেকে আজও এই সাধারণ ডিজিটাল ঘড়িটি বিশ্বের বহু মানুষের হাতে দেখা যায়। কম দাম, দীর্ঘ ব্যাটারি লাইফ এবং সহজ ব্যবহারের জন্য এখনও এর জনপ্রিয়তা অটুট। মাত্র কয়েকটি বেসিক ফিচার নিয়েই তৈরি এই ঘড়ি। সময় দেখানোর পাশাপাশি এতে রয়েছে অ্যালার্ম, স্টপওয়াচ, ক্যালেন্ডার এবং ব্যাকলাইট সুবিধা। আকারে ছোট ও অত্যন্ত হালকা হওয়ায় দীর্ঘক্ষণ হাতে পরলেও অস্বস্তি হয় না। অনেক ব্যবহারকারীর মতে, দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য এটি এখনও সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ডিজিটাল ঘড়িগুলির একটি। ঘড়িটির ডিজাইনও তার জনপ্রিয়তার বড় কারণ। কালো রঙের সাধারণ রেজিন বডি এবং পরিচিত ডিজিটাল ডিসপ্লে এখন একপ্রকার আইকনিক হয়ে উঠেছে। নতুন প্রজন্মের কাছেও এই মডেলটি “রেট্রো স্টাইল” হিসেবে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। অনেকেই স্মার্টওয়াচের ভিড়েও F-91W-কে বেছে নিচ্ছেন তার সরলতা ও নস্টালজিয়ার কারণে। তবে এই ঘড়ির কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। ব্যাকলাইট খুব উজ্জ্বল নয়, রেজিন স্ট্র্যাপ দীর্ঘদিন পরে শক্ত হয়ে যেতে পারে এবং ৩০ মিটার ওয়াটার রেজিস্ট্যান্স থাকলেও এটি সাঁতার বা গভীর জলের জন্য তৈরি নয়। তবুও কম দামের মধ্যে নির্ভরযোগ্য পারফরম্যান্সের জন্য অনেকের কাছেই এটি সেরা বাজেট ঘড়িগুলির একটি। ইন্টারনেটের বিভিন্ন ঘড়িপ্রেমী কমিউনিটিতেও F-91W নিয়ে বিস্তর আলোচনা দেখা যায়। কেউ একে “সবচেয়ে কার্যকর ডিজিটাল ঘড়ি” বলছেন, আবার কেউ আধুনিক ফিচারের অভাবের সমালোচনাও করছেন। তবে সমালোচনা সত্ত্বেও এই মডেলের জনপ্রিয়তা যে কমেনি, তা স্পষ্ট। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের যুগেও F-91W-এর সাফল্যের মূল রহস্য তার সরলতা। অতিরিক্ত ফিচারের বদলে সময় দেখার মূল কাজটিকেই গুরুত্ব দিয়েছে এই ঘড়ি, আর সেই কারণেই কয়েক দশক পরেও এটি বাজারে নিজের জায়গা ধরে রেখেছে। Post navigation মাত্র ₹৫১ টাকায় BSNL-এর ধামাকা অফার! প্রতিদিন ২GB ডেটা, আনলিমিটেড কলিং