শিশুদের ভবিষ্যৎ প্রশ্নেবারাসাতের বিভিন্ন এলাকায় খেলার মাঠ নিয়ে ক্রমশ বাড়ছে উদ্বেগ। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বহু মাঠে সাধারণ মানুষের প্রবেশ সীমিত হয়ে পড়েছে, ফলে বাচ্চা ও বয়স্কদের খেলাধুলা এবং শরীরচর্চার সুযোগ কমে যাচ্ছে।শেঠপুকুর এলাকার এক বাসিন্দা জানিয়েছেন, “যে মাঠে ছোটবেলা কেটেছে, আজ সেই মাঠ ঘেরা। আগের মতো সহজে ঢোকা বা ব্যবহার করা যাচ্ছে না।” উন্নয়নের কাজের পর অনেক মাঠেই নিয়ম-কানুন কঠোর হওয়ায় সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক ব্যবহার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ।এছাড়াও, কিছু ক্ষেত্রে মাঠে নির্দিষ্ট সময় বা নির্দিষ্ট ব্যবহারের জন্য অর্থের বিনিময়ে কোচিং কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। এতে সাধারণ পরিবারের শিশুদের নিয়মিত খেলাধুলার সুযোগ সীমিত হয়ে পড়ছে বলে মনে করছেন অভিভাবকরা। অন্যদিকে, বড় খেলার অবকাঠামো থাকা সত্ত্বেও সেগুলির পূর্ণ ব্যবহার না হওয়ার বিষয়েও প্রশ্ন উঠছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, খোলা জায়গায় খেলাধুলা শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু দ্রুত নগরায়নের ফলে খোলা জায়গা কমে যাওয়ায় এই সমস্যা আরও প্রকট হচ্ছে।এলাকাবাসীর একাংশের বক্তব্য, “মাঠ সবার জন্য উন্মুক্ত থাকা উচিত। শিশুদের শৈশব যেন শুধুমাত্র ঘরের ভিতরে বা মোবাইলের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে।” এই পরিস্থিতিতে, মাঠগুলিকে সবার জন্য আরও সহজলভ্য ও ব্যবহারযোগ্য করার দাবি তুলছেন স্থানীয়রা। এখন দেখার, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই বিষয়টি কীভাবে দেখছে এবং ভবিষ্যতে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়। Post navigation বারাসাতের অজানা ইতিহাস: উত্তর ২৪ পরগণার ঐতিহ্যের শহর সিরাজ উদ্যান’ হলো শিবাজি উদ্যান